কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬ এ ০৪:০৪ PM
কন্টেন্ট: পাতা
১। রোগ প্রতিরোধ কল্পে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার দপ্তর হতে প্রাপ্ত গবাদি পশু পাখির টিকা মাঠ
পর্যায়ে সুষ্ঠভাবে প্রয়োগ।
২। প্রাকৃতিক দুর্যোগে(সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায়) জরুরী ভেটেরিনারি টিম গঠন।
৩। দুধ মাংস ডিম উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে খামারীদের খামার স্থাপনে উদ্ভুদ্বকরন এবং উঠান বৈঠক করা।
৪। প্রতি মাসে ডিজিজ সার্ভিলেন্স কার্যক্রম পরিচালনা করা।
৫। রোগ অনুসন্ধানে বিভিন্ন ধরনের নমুনা সংগ্রহ করা এবং সঠিক রোগ নির্ণয়ে আঞ্চলিক রোগ অনুসন্ধান কেন্দ্র (এফডিআইএল), প্রেরণ করা।
৬। নিরাপদ মাংস উৎপাদনের লক্ষ্যে খুচরা পর্যায়ে পশু খাদ্য বিক্রেতার বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন ও নমুনা সংগ্রহ এবং প্রেরণ।
৭। পশু খাদ্যে ভেজাল রোধ কল্পে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আইনানুগ ব্যবস্থা/মোবাইল কোর্ট পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহন।
৮। রাজস্ব বরাদ্দ হতে বছরে একটি খামারী প্রশিক্ষনের আয়োজন করা হয়েছে।
৯। ঈদুল আযহার সময়কালীন কোরবানীর গরুর হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতার সুবিধার্থে ভেটেরিনারি টিম প্রতিটি হাটে দায়িত্ব পালন করে থাকে।
১০। গবাদীপশুর কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম।
১১। কসাইদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসম্মত প্রাণিজ আমিষের নিশ্চয়তা প্রদান।
১২। জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধকরনে সকল কুকুরকে টিকা প্রদান কার্যক্রম।
১৩। এলডিডিপি প্রকল্পের আওতায় সমগ্র উপজেলায় খামারীদের মাঝে উপকরণ বিতরণ কার্য ক্রম চলমান আছে।